গুদাম এলাকা · সাভার ও আশুলিয়া
সাভার-এ সম্পত্তি
সাভার ও পাশের আশুলিয়া ঢাকার উত্তর-পশ্চিমে একটি বড় শিল্প ও গুদাম এলাকা, যেখানে ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং অনেক পোশাক ও বস্ত্র কারখানা। এখানে প্রতি বর্গফুটে কম হারে বড় গুদাম ও কারখানার জায়গা পাওয়া যায়। এখানে আমাদের একটি তালিকা ছিল আশুলিয়ার একটি গুদাম, প্রতি বর্গফুট প্রায় ১৫ টাকা।
তালিকা
সাভার-এ ১টি সম্পত্তি
আজ খালি ০টি।
এক নজরে
সাভার দামের তালিকা
| সম্পত্তি | ধরন | আয়তন | বেডরুম | দাম | অবস্থা |
|---|---|---|---|---|---|
| আশুলিয়া, সাভারে গুদাম ভাড়া – ২৫,০০০ বর্গফুট | গুদাম | ২৫,০০০ বর্গফুট | — | ৩.৭৫ লাখ টাকা | ভাড়া হয়েছে |
রেন্ট প্রপার্টি পরিচালিত ও প্রতিনিধিত্বকৃত সম্পত্তির ভিত্তিতে। হালনাগাদ ২০২৬-১১-০৮।
এলাকা পরিচিতি
সংক্ষেপে উত্তর: সাভার, পাশের আশুলিয়াসহ, ঢাকার উত্তর-পশ্চিমে একটি বড় শিল্প ও গুদাম এলাকা, যেখানে ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল ও অনেক পোশাক কারখানা। এখানে আমাদের একটি তালিকা ছিল: আশুলিয়ায় প্রায় ২৫,০০০ বর্গফুটের একটি গুদাম, প্রতি বর্গফুট মাসে প্রায় ১৫ টাকা।
গুদাম ও শিল্পের জন্য সাভার কেমন?
সাভার উপজেলা ঢাকা শহরের উত্তর-পশ্চিমে, আর এর পূর্ব অংশের আশুলিয়া বাংলাদেশে পোশাক ও বস্ত্র কারখানার সবচেয়ে ঘন এলাকাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ডিইপিজেড) এই এলাকায়, আর আশপাশের রাস্তার দুই পাশে কারখানা, গুদাম ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। বেশিরভাগ জায়গা ঢাকা ও রপ্তানি সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য উৎপাদন, মজুদ ও বিতরণের উদ্দেশ্যে নির্মিত।
ব্যবসার জন্য সাভার ও আশুলিয়া শহরের চেয়ে অনেক কম হারে বড় জায়গা দেয়, বিশাল শিল্প শ্রমশক্তির কাছাকাছি।
সাভার কাদের জন্য উপযোগী?
- পোশাক, বস্ত্র ও রপ্তানিমুখী উৎপাদক, এলাকার কারখানার সরবরাহকারীসহ।
- পরিবেশক ও লজিস্টিকস প্রতিষ্ঠান, যাদের ঢাকার পশ্চিম পাশে গুদাম দরকার।
- হালকা শিল্প উৎপাদক, যারা ট্রাক প্রবেশের সুবিধাসহ সাশ্রয়ী জায়গা চায়।
সাভারে গুদামের ভাড়া কত?
এলাকায় আমাদের মাত্র একটি তালিকা, যা ইতোমধ্যে ভাড়া হয়ে গেছে, তাই এটিকে একটি উদাহরণ হিসেবে দেখুন।
| ধরন | আমাদের তালিকায় আকার | আমাদের তালিকায় হার |
|---|---|---|
| গুদাম, আশুলিয়া | প্রায় ২৫,০০০ বর্গফুট | প্রতি বর্গফুট মাসে ১৫ টাকা |
হার নির্ভর করে প্রধান সড়ক থেকে অবস্থান, ভবনের ধরন, ছাদের উচ্চতা, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও কমপ্লায়েন্স মানের ওপর। তুলনায় আমাদের গাজীপুরের তালিকায় হার ছিল প্রতি বর্গফুট প্রায় ২০–২২ টাকা; দেখুন গাজীপুর।
সাভার ও আশুলিয়ায় যাতায়াত
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ঢাকা থেকে সাভার হয়ে দেশের পশ্চিম দিকে গেছে, আর আশুলিয়া সড়ক উত্তরে আবদুল্লাহপুর ও টঙ্গী এলাকার সঙ্গে আশুলিয়াকে যুক্ত করেছে। দুটি পথেই, বিশেষ করে কারখানার শিফট বদলের সময়ে, তীব্র যানজট হতে পারে, তাই কর্মী ও পণ্য পরিবহন সতর্কভাবে পরিকল্পনা করুন। নির্দিষ্ট জায়গার প্রবেশপথ যাচাই করুন, কারণ কিছু সরু বা জলাবদ্ধতাপ্রবণ।
সাভার ও আশুলিয়ার সুবিধা ও অসুবিধা
- সুবিধা: বড় জায়গার জন্য প্রতি বর্গফুটে কম হার।
- সুবিধা: ঢাকা ইপিজেড ও বড় শিল্প সরবরাহকারী নেটওয়ার্কের কাছে।
- সুবিধা: পশ্চিম ও উত্তরে মহাসড়ক সংযোগ।
- অসুবিধা: প্রধান সড়কে তীব্র যানজট।
- অসুবিধা: জায়গার মান, পানিনিষ্কাশন ও ইউটিলিটিতে বড় পার্থক্য।
সাভারে গুদাম দেখার সময় যা যাচাই করবেন
- ট্রাক প্রবেশ, ঘোরানোর জায়গা ও লোডিং বে।
- ছাদের উচ্চতা, মেঝের ভারবহন ক্ষমতা ও র্যাক বসানোর সুযোগ।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ, জেনারেটর ব্যাকআপ ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- বর্ষায় জলাবদ্ধতা ও পানিনিষ্কাশন।
- নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সীমানা প্রাচীর।
- মালিকানার কাগজপত্র ও অনুমোদিত ব্যবহার, আপনার আইনজীবীকে দিয়ে পর্যালোচনা।
রেন্ট প্রপার্টি আমাদের বাণিজ্যিক লিজিং সেবার মাধ্যমে শিল্প স্পেস খোঁজা ও দর-কষাকষিতে সাহায্য করতে পারে।
হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন
প্রয়োজনীয় আকার, ব্যবহার ও সময় জানান, আমরা সাভার ও আশুলিয়ায় গুদাম ও কারখানার বিকল্প দেখব। হোয়াটসঅ্যাপে রেন্ট প্রপার্টিকে লিখুন +৮৮০ ১৭৮৪-২২২২৫৫ নম্বরে; সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দিই।
উত্তর
সাভার-এ ভাড়া — সাধারণ প্রশ্ন
সাভার-এ বাসা ভাড়া কত?
সাভার-এ আমাদের পরিচালিত ১টি সম্পত্তিতে মাসিক ভাড়া ৩৭৫,০০০ টাকা থেকে ৩৭৫,০০০ টাকা পর্যন্ত, মধ্যমা ৩৭৫,০০০ টাকা। সার্ভিস চার্জ সাধারণত আলাদা।
সাভার কি প্রবাসীদের জন্য উপযুক্ত এলাকা?
সাভার ও পাশের আশুলিয়া ঢাকার উত্তর-পশ্চিমে একটি বড় শিল্প ও গুদাম এলাকা, যেখানে ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং অনেক পোশাক ও বস্ত্র কারখানা। এখানে প্রতি বর্গফুটে কম হারে বড় গুদাম ও কারখানার জায়গা পাওয়া যায়। এখানে আমাদের একটি তালিকা ছিল আশুলিয়ার একটি গুদাম, প্রতি বর্গফুট প্রায় ১৫ টাকা।
সাভার-এ এখন কী খালি আছে?
সাভার-এ এই মুহূর্তে তালিকাভুক্ত কিছু খালি নেই, তবে সম্পত্তি নিয়মিত খালি হয় এবং আমাদের কাছে অপ্রকাশিত সম্পত্তিও থাকে। আপনার প্রয়োজন জানান।
সাভার বা আশুলিয়ায় গুদামের ভাড়া কত?
এলাকায় আমাদের একমাত্র তালিকা ছিল আশুলিয়ায় প্রায় ২৫,০০০ বর্গফুটের একটি গুদাম, প্রতি বর্গফুট মাসে প্রায় ১৫ টাকা, যা ইতোমধ্যে ভাড়া হয়ে গেছে। একটি তালিকা দিয়ে নির্ভরযোগ্য পরিসর দেওয়া সম্ভব নয়। হার নির্ভর করে অবস্থান, সড়ক সংযোগ, ছাদের উচ্চতা, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ভবনের মানের ওপর, তাই বর্তমান বিকল্প জানতে আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
সাভার ও আশুলিয়ার মধ্যে পার্থক্য কী?
সাভার ঢাকা শহরের উত্তর-পশ্চিমের একটি উপজেলা, আর আশুলিয়া এর পূর্ব অংশের একটি এলাকা। আশুলিয়া বাংলাদেশে পোশাক ও বস্ত্র কারখানার সবচেয়ে ঘন এলাকাগুলোর একটি এবং ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের কাছে। মানুষ প্রায়ই পুরো শিল্প এলাকাকে একসঙ্গে সাভার-আশুলিয়া বলে।
সাভারে পণ্য আনা-নেওয়া কীভাবে হয়?
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সাভারের মধ্য দিয়ে ঢাকাকে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করেছে, আর আশুলিয়া সড়ক আশুলিয়াকে উত্তরে আবদুল্লাহপুর ও টঙ্গী এলাকার সঙ্গে যুক্ত করেছে। দুটিতেই, বিশেষ করে কারখানার শিফট বদলের সময়ে, তীব্র যানজট হতে পারে, তাই ডেলিভারির জন্য বাড়তি সময় রাখুন এবং নির্দিষ্ট জায়গার প্রবেশপথ যাচাই করুন।
সাভারে গুদাম ভাড়ার আগে কী যাচাই করব?
ট্রাক প্রবেশ ও ঘোরানোর জায়গা, লোডিং বে, ছাদের উচ্চতা, মেঝের ভারবহন ক্ষমতা এবং র্যাক বসানো যাবে কি না দেখুন। বিদ্যুৎ সরবরাহ, জেনারেটর ব্যাকআপ ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, পাশাপাশি পানিনিষ্কাশন ও বর্ষায় জলাবদ্ধতার ইতিহাস নিশ্চিত করুন। চুক্তির আগে মালিকানার কাগজপত্র ও অনুমোদিত ব্যবহার আপনার আইনজীবীকে দিয়ে পর্যালোচনা করান।
শুরু করুন
সাভার-এ বিশেষ কিছু খুঁজছেন?
বাজেট, আয়তন ও কবে উঠতে চান জানান। বাছাই করা তালিকা পাঠাব, তালিকার বাইরের সম্পত্তিসহ।