বারিধারা ইউএন রোডে ৬ বেডরুমের বিলাসবহুল ফার্নিশড অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া
বারিধারা, ঢাকা · S10408

সুসজ্জিত অ্যাপার্টমেন্ট · ঢাকা
গুলশান, বনানী ও বারিধারায় কূটনীতিক, দূতাবাস কর্মী ও আন্তর্জাতিক পেশাজীবীদের জন্য সম্পূর্ণ সুসজ্জিত অ্যাপার্টমেন্ট — পাঁচ মাস থেকে দুই বছরের জন্য।

০১ — ঢাকায় আগমন
বাংলাদেশে আপনার প্রথম ঘণ্টাটা সহজ হওয়া উচিত। রওনা হওয়ার আগেই পিকআপ ঠিক করা থাকে, আর যাত্রা শেষ হয় আপনার দরজায়।



০২ — যাত্রা
ঢাকার কূটনৈতিক উত্তরাঞ্চল দিয়ে — যেখানে দূতাবাস, আন্তর্জাতিক স্কুল আর অফিসগুলো।


০৩ — বাসায় পৌঁছানো
পরিচালিত ভবন, প্রহরীসহ প্রবেশপথ, আর বিদ্যুৎ চলে গেলেও চালু থাকা লিফট।


দরজা খুলল।
আসবাব কেনার দরকার নেই, ইউটিলিটি সংযোগের ঝামেলা নেই। শুধু সুটকেস নিয়ে আসুন।





০৪ — ঘুরে দেখুন
ছবিগুলো উদাহরণ হিসেবে দেওয়া। প্রতিটি লিস্টিংয়ে সেই অ্যাপার্টমেন্টের নিজস্ব ছবি আছে।
অ্যাপার্টমেন্ট
প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্ট আমরা নিজে পরিদর্শন করে ছবি তুলেছি। যে ভাড়া দেখছেন, সেই ভাড়াতেই চুক্তি।
বারিধারা, ঢাকা · S10408
বারিধারা, ঢাকা · S10292
বারিধারা, ঢাকা · S10364
গুলশান, ঢাকা · S10397
০৫ — অবস্থান
গুলশান, বনানী ও বারিধারা এয়ারপোর্ট আর শহরের বাণিজ্যিক এলাকার মাঝখানে — যেখানে বেশিরভাগ দূতাবাস, আন্তর্জাতিক স্কুল আর প্রধান কার্যালয়।
কেন আমাদের সাথে থাকবেন
আসবাব, বিছানার চাদর, রান্নার সরঞ্জাম আর যন্ত্রপাতি — আপনি পৌঁছানোর আগেই সব প্রস্তুত।
ইউটিলিটি সংযুক্ত, ইন্টারনেট চালু, চাবি প্রস্তুত। প্রথম রাতই কাটবে নিজের বাসায়।
আপনার কাজের মেয়াদ অনুযায়ী — কয়েক মাস থেকে পুরো দুই বছর।
গুলশান, বনানী ও বারিধারা — দূতাবাস, অফিস আর আন্তর্জাতিক স্কুলের কাছে।
চুক্তি, হস্তান্তর আর পরে যেকোনো মেরামত — সবকিছুর জন্য একটাই দল।
প্রহরীসহ ভবন, লিফট আর পাওয়ার ব্যাকআপ — আন্তর্জাতিক বাসিন্দাদের কথা ভেবে বাছাই করা।






০৬ — উঠে পড়ুন

আপনার থাকা
আপনার কাজের মেয়াদ অনুযায়ী থাকুন। তারিখ জানালে আমরা শর্ত মিলিয়ে দেব।

পছন্দের এলাকা, থাকার মেয়াদ আর প্রয়োজন জানান। সঠিক অ্যাপার্টমেন্ট খুঁজে দিতে আমরা সাহায্য করব।
উত্তর
গুলশান ও বনানীতে সম্পূর্ণ সুসজ্জিত ফ্ল্যাটের ভাড়া বর্তমানে মাসিক ৭৫,০০০ থেকে ৩,৫০,০০০ টাকার মধ্যে। প্রায় ২,২০০–২,৫০০ বর্গফুটের তিন বেডরুমের সুসজ্জিত ফ্ল্যাটের ভাড়া সাধারণত ১,৩০,০০০–১,৬০,০০০ টাকা। বারিধারায় ভাড়া সবচেয়ে বেশি, বড় কূটনৈতিক মানের বাসভবনে যা মাসে ১০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছায়। সার্ভিস চার্জ সাধারণত আলাদা, ৮,০০০–২০,০০০ টাকা।
ঢাকায় অফিস স্পেস প্রতি বর্গফুট প্রতি মাস হিসেবে দর করা হয়, মোট অঙ্কে নয়। তেজগাঁও, উত্তরা ও বাড্ডায় হার প্রায় ৬০–১২০ টাকা, বনানী ও মহাখালীতে ১০০–১৫০ টাকা এবং অভিজাত গুলশানে ১৫০–৩০০ টাকা প্রতি বর্গফুট। অর্থাৎ গুলশানে ২৫০ টাকা হারে ৫,০০০ বর্গফুটের একটি ফ্লোরের মাসিক ভাড়া দাঁড়ায় ১২,৫০,০০০ টাকা, সার্ভিস চার্জ ছাড়া।
বাড়িওয়ালারা সাধারণত দুই থেকে তিন মাসের ভাড়া জামানত হিসেবে নেন, যা মেয়াদ শেষে ক্ষতি বাদ দিয়ে ফেরতযোগ্য। বিদেশি ভাড়াটিয়ার ক্ষেত্রে পাসপোর্ট, ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট, নিয়োগকর্তার প্রত্যয়নপত্র ও ছবি লাগে। করপোরেট ভাড়াটিয়াকে ট্রেড লাইসেন্স ও কোম্পানি নিবন্ধনের কাগজ দিতে হয়। বাড়িওয়ালাকে স্থানীয় থানায় ভাড়াটিয়ার তথ্য নিবন্ধন করতে হয়।
Yes. A significant share of our portfolio is let to diplomatic missions, UN agencies, international NGOs and multinational employers. We pre-screen buildings against the security standards those organisations apply — controlled entry, guard presence, generator redundancy, fire exits and road setback.
Yes. We run live video viewings over WhatsApp for staff who are still abroad, and provide full photo sets, floor dimensions and building details in advance. Many corporate tenants sign before arrival and take handover on their first day in Dhaka.
হ্যাঁ। দেশে ও প্রবাসে থাকা মালিকদের হয়ে আমরা আবাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পত্তি পরিচালনা করি — ভাড়াটিয়া যাচাই, ভাড়া আদায়, ত্রৈমাসিক পরিদর্শন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং মাসিক হিসাব বিবরণীসহ। প্রবাসী বাংলাদেশি মালিকদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।
বাংলাদেশের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কমিশন এক মাসের ভাড়ার সমান। পরিদর্শন শুরুর আগেই আমরা লিখিতভাবে ফি নিশ্চিত করি — কখনো পরে নয়। বাসা দেখার জন্য কোনো ফি নেই।