সেবা
ঢাকায় রিয়েল এস্টেট ব্রোকারেজ
ঢাকায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভাড়ায় ভাড়াটিয়া বা মালিকের প্রতিনিধিত্ব — ভাড়ার তুলনা এবং বাসা দেখার আগেই লিখিত ফি চুক্তিসহ।
সংক্ষিপ্ত উত্তর: রেন্ট প্রপার্টি ঢাকার একটি রিয়েল এস্টেট ব্রোকারেজ, যা আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভাড়ায় ভাড়াটিয়া বা মালিকের প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা শুরুতেই জানিয়ে দিই কোন পক্ষের হয়ে কাজ করছি, আমাদের তালিকার সম্পত্তির সঙ্গে ভাড়া তুলনা করি, বাসা দেখা শুরুর আগেই লিখিতভাবে ফি নিশ্চিত করি এবং দরকষাকষি, চুক্তি ও হস্তান্তর সামলাই।
নতুনদের কাছে ঢাকায় বাসা ভাড়া অস্পষ্ট মনে হতে পারে। বাংলাদেশে কোনো পাবলিক মাল্টিপল লিস্টিং সার্ভিস (এমএলএস) নেই, চাওয়া ভাড়ায় বড় পার্থক্য থাকে, আর অগ্রিম, জামানত, সার্ভিস চার্জ, নোটিশের মতো অনেক শর্ত আলাদাভাবে আলোচনা করে ঠিক হয়। একজন ভালো ব্রোকার এই প্রক্রিয়ায় প্রমাণ ও কাঠামো যোগ করেন। প্রবাসী, প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তির মালিকদের জন্য ঢাকায় আমরা এভাবেই রিয়েল এস্টেট ব্রোকারেজ করি।
আমাদের ব্রোকারেজ সেবায় কী কী থাকে?
- আমরা কার প্রতিনিধি — ভাড়াটিয়া না মালিক — তা স্পষ্টভাবে জানানো, কাজ শুরুর আগেই।
- ভাড়ার তুলনা — ক্লাসিফায়েড সাইটের চাওয়া দামের বদলে আমাদের পরিদর্শন ও তালিকাভুক্ত সম্পত্তির ভিত্তিতে।
- লিখিত ফি চুক্তি বাসা দেখার আগে, পরে কখনো নয়।
- পরিদর্শন সরাসরি বা ভিডিওতে, নিজেদের তোলা ছবি ও সঠিক তথ্যসহ।
- দরকষাকষি — ভাড়া, অগ্রিম, জামানত, সার্ভিস চার্জ, আসবাব ও নোটিশের শর্ত।
- ইংরেজিতে চুক্তি তৈরিতে সহায়তা এবং সই করা হস্তান্তর তালিকা।
- জামানতের সুরক্ষা — ওঠা ও ছাড়ার সময় লিখিত অবস্থার রিপোর্টের মাধ্যমে।
এই সেবা কাদের জন্য?
ভাড়াটিয়া পক্ষে আমরা মূলত বিদেশিদের সঙ্গে কাজ করি: কূটনীতিক, দূতাবাস কর্মী, জাতিসংঘ ও এনজিও কর্মী এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মী, যাঁরা পাঁচ মাস থেকে দুই বছরের জন্য সুসজ্জিত বাসা খোঁজেন, সঙ্গে অফিস খোঁজা প্রতিষ্ঠানও। মালিক পক্ষে আমরা অ্যাপার্টমেন্ট, বাড়ি ও বাণিজ্যিক ফ্লোরের মালিকদের প্রতিনিধিত্ব করি, যাঁরা যোগ্য ভাড়াটিয়া ও সুলিখিত চুক্তি চান। ভাড়ার পরেও এজেন্ট দিয়ে পুরো ভাড়া পরিচালনা করাতে চাইলে আমাদের প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট সেবা দেখুন।
ভাড়াটিয়া ও মালিকের প্রতিনিধিত্বে পার্থক্য কী?
| ভাড়াটিয়ার প্রতিনিধিত্ব | মালিকের প্রতিনিধিত্ব | |
|---|---|---|
| মূল লক্ষ্য | ন্যায্য শর্তে সঠিক বাসা বা অফিস | বাস্তবসম্মত ভাড়ায় নির্ভরযোগ্য ভাড়াটিয়া |
| আমাদের কাজ | খোঁজ, শর্টলিস্ট, তুলনা ও দরকষাকষি | প্রচার, আবেদনকারী যাচাই ও দরকষাকষি |
| কাগজপত্র | ভাড়াটিয়ার পক্ষে শর্ত ও তালিকা পর্যালোচনা | মালিকের পক্ষে শর্ত ও অবস্থার রিপোর্ট প্রস্তুত |
একটি লেনদেনে আমরা এক সময়ে এক পক্ষের হয়েই কাজ করি এবং উভয় পক্ষকে তা জানিয়ে দিই।
ঢাকায় এজেন্সি ফি কত?
ঢাকার বাজারে একটি প্রচলিত রীতি হলো এক মাসের ভাড়ার সমান কমিশন। ভাড়াটিয়া ও মালিকের মধ্যে তা কীভাবে ভাগ হবে তা লেনদেনভেদে আলাদা, তাই কোনো বাসা দেখার আগেই কে কত দেবেন তা আমরা লিখিতভাবে নিশ্চিত করি। বাণিজ্যিক ও বড় করপোরেট লেনদেনে ফি আলাদাভাবে আলোচনা করে ঠিক হয়। আমাদের প্রপার্টি দেখার জন্য ভাড়াটিয়াদের কোনো লিস্টিং ফি নেই।
আমাদের ব্রোকারেজের মাধ্যমে ভাড়ার ধাপ কী?
- প্রাথমিক ফোন বা বার্তা: আপনার চাহিদা, অথবা মালিক হলে সম্পত্তির বিবরণ জানান।
- প্রতিনিধিত্ব ও ফি লিখিতভাবে নিশ্চিত।
- শর্টলিস্ট বা প্রচার: ভাড়াটিয়ারা প্রকৃত ভাড়াসহ বিকল্প পান; মালিকের সম্পত্তির ছবি তুলে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- পরিদর্শন সরাসরি বা ভিডিওতে।
- দরকষাকষি: ভাড়া, অগ্রিম, জামানত, সার্ভিস চার্জ, আসবাব ও নোটিশ।
- চুক্তি ও পরিশোধ: শর্ত লিখিত ও সই হয়; প্রতিটি পরিশোধের রসিদ দেওয়া হয়।
- হস্তান্তর: উভয় পক্ষের সই করা মালামালের তালিকা ও অবস্থার রিপোর্ট।
ভাড়া ও জামানত সম্পর্কে কী জানা দরকার?
আমাদের বর্তমান তালিকায় গুলশানে সুসজ্জিত বাসার মাসিক ভাড়া প্রায় ৭০,০০০ থেকে ১,৬০,০০০ টাকা, আর ঢাকাজুড়ে অফিসের ভাড়া প্রতি বর্গফুট প্রতি মাসে প্রায় ৬০ থেকে ৩০০ টাকা। এলাকাভিত্তিক আবাসিক ভাড়া জানতে ঢাকার অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়ার গাইড দেখুন, আর অগ্রিম পরিশোধ সাধারণত কীভাবে হয় তা ব্যাখ্যা করেছে আমাদের ঢাকায় অগ্রিম ভাড়া ও জামানত গাইড। বিদেশি ভাড়াটিয়াদের বিদেশিদের জন্য বাংলাদেশের ভাড়া চুক্তি গাইডটিও পড়া উচিত এবং গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি আইনজীবীকে দিয়ে যাচাই করানো উচিত।
ভাড়াটিয়া ও মালিকের সাধারণত কী কাগজপত্র লাগে?
ভাড়াটিয়াদের কাছে সাধারণত পাসপোর্টের কপি, নিয়োগকর্তার তথ্য এবং করপোরেট ভাড়ায় প্রতিষ্ঠানের চিঠি বা নিবন্ধন কাগজপত্র চাওয়া হয়। মালিকদের কাছে মালিকানা বা ভাড়া দেওয়ার অধিকারের প্রমাণ, সাম্প্রতিক ইউটিলিটি বিল এবং সুসজ্জিত বাসার ক্ষেত্রে মালামালের তালিকা থাকা উচিত। এগুলো আগে থেকে প্রস্তুত থাকলে প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত হয়।
কোন কোন এলাকায় আমরা কাজ করি?
আমাদের আবাসিক ব্রোকারেজের কেন্দ্র গুলশান, বনানী, বারিধারা, বসুন্ধরা ও উত্তরা। বাণিজ্যিক ভাড়া তেজগাঁও, মহাখালী, মতিঝিল, বাড্ডা ও প্রগতি সরণি পর্যন্ত, আর শিল্প স্পেস গাজীপুর ও সাভারে।
হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন
হোয়াটসঅ্যাপে রেন্ট প্রপার্টিকে বার্তা পাঠান +৮৮০ ১৭৮৪-২২২২৫৫ নম্বরে, জানান আপনি ভাড়া নিচ্ছেন না দিচ্ছেন, আর মূল তথ্যগুলো দিন। আমরা সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দিই।
এই সেবায় যা অন্তর্ভুক্ত
- ভাড়াটিয়া বা মালিক পক্ষ — শুরুতেই ঘোষিত
- আমাদের তালিকার সম্পত্তির ভিত্তিতে ভাড়ার তুলনা
- বাসা দেখার আগে লিখিত ফি চুক্তি
- ভাড়া, অগ্রিম ও জামানতের দরকষাকষি
- ইংরেজিতে চুক্তি তৈরিতে সহায়তা
- সই করা হস্তান্তর তালিকা ও অবস্থার রিপোর্ট
আমাদের ফি কীভাবে নির্ধারিত হয়। কাজ শুরুর আগেই ফি লিখিতভাবে নির্ধারণ করা হয়। ভাড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কমিশন এক মাসের ভাড়ার সমান; চলমান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আদায়কৃত ভাড়ার শতকরা হারে। আমরা কোন পক্ষের হয়ে কাজ করছি তা স্পষ্ট করে জানাই।
আরও
অন্যান্য সেবা
সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্ট
গুলশান, বনানী ও বারিধারায় আসবাব, বিছানাপত্র, রান্নাঘর, ইন্টারনেট ও ব্যাকআপ বিদ্যুৎসহ প্রস্তুত বাসা — রাতপ্রতি...
বিস্তারিতপ্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট
এনআরবিসহ ঢাকার মালিকদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা: ভাড়াটিয়া যাচাই, ভাড়া আদায়, পরিদর্শন, মেরামত ও মাসিক বি...
বিস্তারিতঅফিস স্পেস ভাড়া
গুলশান, বনানী, তেজগাঁও, উত্তরা, মহাখালী, মতিঝিল ও নিকুঞ্জে ৬৫০ থেকে ৪০,০০০ বর্গফুটের অফিস ফ্লোর, প্রতি বর্গফুট...
বিস্তারিতউত্তর
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ঢাকায় ব্রোকারের কমিশন কে দেন?
ঢাকায় একটি প্রচলিত রীতি হলো এক মাসের ভাড়ার সমান কমিশন, তবে ভাড়াটিয়া ও মালিকের মধ্যে তা কীভাবে ভাগ হবে তা লেনদেনভেদে আলাদা। কোনো বাসা দেখার আগেই রেন্ট প্রপার্টি লিখিতভাবে নিশ্চিত করে কে কত দেবেন, ফলে সইয়ের সময় কোনো অপ্রত্যাশিত বিষয় থাকে না। বাণিজ্যিক ও বড় করপোরেট লেনদেনে ফি আলাদাভাবে আলোচনা করে ঠিক হয়।
আপনারা ভাড়াটিয়ার প্রতিনিধি নাকি মালিকের?
এটি লেনদেনের ওপর নির্ভর করে, আর আমরা তা শুরুতেই জানিয়ে দিই। ভাড়াটিয়ার হয়ে কাজ করলে আমরা তাঁর পক্ষে খোঁজ, ভাড়ার তুলনা ও দরকষাকষি করি। মালিকের হয়ে কাজ করলে সম্পত্তির প্রচার ও আবেদনকারী যাচাই করি। রেন্ট প্রপার্টি এক সময়ে এক পক্ষের হয়েই কাজ করে এবং উভয় পক্ষকে জানিয়ে দেয় সেটি কোন পক্ষ।
ঢাকায় ন্যায্য ভাড়া কত, তা আপনারা কীভাবে বোঝেন?
বাংলাদেশে কোনো পাবলিক এমএলএস নেই, তাই নির্ভরযোগ্য তুলনা আসে এমন সম্পত্তি থেকে যা কোনো এজেন্সি আসলে পরিদর্শন করে ভাড়া দিয়েছে। রেন্ট প্রপার্টি নিজেদের তালিকার বাসা ও অফিসের সঙ্গে তুলনা করে — আকার, ভবনের মান, আসবাব, পার্কিং ও নিরাপত্তা বিবেচনায়। আমরা ওয়েবসাইট ও ভাড়ার গাইডে প্রকৃত ভাড়া প্রকাশ করি, যাতে ভাড়াটিয়া ও মালিক উভয়েই আমাদের পরামর্শের পেছনের প্রমাণ দেখতে পারেন।
বিদেশিরা কি ঢাকায় ভাড়া চুক্তিতে সই করতে পারেন?
হ্যাঁ, বিদেশিরা নিয়মিতভাবে ঢাকায় বাসা ও অফিস ভাড়া নেন। মালিকরা সাধারণত পাসপোর্টের কপি, নিয়োগকর্তার তথ্য এবং কখনো প্রতিষ্ঠানের চিঠি চান, আর অনেক করপোরেট চুক্তিতে নিয়োগকর্তাই সই করেন। বিদেশি ভাড়াটিয়াদের জন্য চুক্তি সাধারণত ইংরেজিতে লেখা হয়। রেন্ট প্রপার্টি চুক্তি তৈরি ও দরকষাকষিতে সহায়তা করে, আর গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি আপনার আইনজীবীকে দিয়ে যাচাই করানোর পরামর্শ দিই।
ব্রোকারেজ সেবার খরচ কত?
নির্দেশনার আকার ও জটিলতার উপর ফি নির্ভর করে। ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সাধারণত আদায়কৃত ভাড়ার শতকরা হারে, আর ব্রোকারেজে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী এক মাসের ভাড়া। কাজ শুরুর আগেই ফি লিখিতভাবে জানানো হয়।
ঢাকার কোন কোন এলাকায় ব্রোকারেজ সেবা পাওয়া যায়?
গুলশান, বনানী, উত্তরা, বারিধারা, বসুন্ধরা, তেজগাঁও, নিকুঞ্জ, মহাখালী এবং ঢাকা মহানগরীর অন্যান্য এলাকা, পাশাপাশি গাজীপুর ও সাভারের শিল্পাঞ্চল।
কত দ্রুত শুরু করতে পারবেন?
ভাড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে বাছাই করা তালিকা দিই। ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে চুক্তি সইয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিদর্শন শুরু করা যায়।
শুরু করুন
আপনার প্রয়োজন জানান, আমরা তালিকা পাঠাই।
বেশিরভাগ অনুসন্ধানের উত্তরে এক কর্মদিবসের মধ্যে ছবি, প্রকৃত ভাড়া ও পরিদর্শনের সময়সহ বাছাই করা তালিকা পাঠানো হয়।