• ঢাকাসোম
  • নিউ ইয়র্করবি
  • লন্ডনরবি
  • দুবাইরবি
  • রিয়াদরবি
  • দিল্লিসোম
  • সিঙ্গাপুরসোম
  • কুয়ালালামপুরসোম
  • টোকিওসোম
  • সিডনিসোম
  • টরন্টোরবি
RP রেন্টপ্রপার্টি

সেবা

ঢাকায় বাণিজ্যিক অফিস স্পেস ভাড়া

গুলশান, বনানী, তেজগাঁও, উত্তরা, মহাখালী, মতিঝিল ও নিকুঞ্জে ৬৫০ থেকে ৪০,০০০ বর্গফুটের অফিস ফ্লোর, প্রতি বর্গফুট ভাড়ার তুলনাসহ।

সংক্ষিপ্ত উত্তর: রেন্ট প্রপার্টি ঢাকায় প্রায় ৬৫০ থেকে ৪০,০০০ বর্গফুটের বাণিজ্যিক অফিস স্পেস ভাড়া দেয় — গুলশান, বনানী, তেজগাঁও, উত্তরা, মহাখালী, বাড্ডা, প্রগতি সরণি, মতিঝিল ও নিকুঞ্জে। ঢাকায় অফিস ভাড়া সাধারণত প্রতি বর্গফুট প্রতি মাস হিসেবে বলা হয়; আমাদের বর্তমান তালিকায় তা এলাকা ও ভবনের মান অনুযায়ী প্রায় ৬০ থেকে ৩০০ টাকা প্রতি বর্গফুট।

ঢাকায় অফিস স্পেস বাছাই শুধু আয়তন আর ভাড়ার বিষয় নয়। ভবনের বৈধতা, জেনারেটরের ক্ষমতা, লিফট, পার্কিং ও সার্ভিস চার্জ — সবকিছুই অফিস চালানোর প্রকৃত খরচে প্রভাব ফেলে। আমাদের বাণিজ্যিক অফিস লিজিং সেবা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, এনজিও, স্থানীয় ব্যবসা ও মালিকদের প্রতিটি ধাপে স্পষ্ট তথ্য দিয়ে সঠিক জায়গা খুঁজে চুক্তি করতে সাহায্য করে।

আমাদের অফিস লিজিং সেবায় কী কী থাকে?

  • শর্টলিস্ট: আপনার আকার, বাজেট, এলাকা ও ওঠার তারিখ অনুযায়ী অফিস, নিজেদের তোলা ছবিসহ।
  • প্রতি বর্গফুট ভাড়ার তুলনা একই এলাকার সমতুল্য ফ্লোরের সঙ্গে।
  • ভবন যাচাই: ভবনটি প্রকৃতই বাণিজ্যিক কি না, ঠিকানায় ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যাবে কি না এবং অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার অবস্থা।
  • ব্যবহারিক যাচাই: পার্কিংয়ের অনুপাত, জেনারেটরের ক্ষমতা, লিফটের মান ও সার্ভিস চার্জের কাঠামো।
  • ইংরেজিতে চুক্তির দরকষাকষি — ভাড়া, অগ্রিম, বার্ষিক বৃদ্ধি, ফিট-আউটের সময় ও নোটিশ।
  • ফিট-আউট ও পার্টিশনের সমন্বয় শর্ত ঠিক হওয়ার পর ঠিকাদারদের সঙ্গে।

এই সেবা কাদের জন্য?

বাংলাদেশে অফিস খুলছে বা সম্প্রসারণ করছে এমন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প অফিস স্থাপনকারী জাতিসংঘ সংস্থা ও এনজিও এবং ভালো জায়গায় স্থানান্তরিত হতে চাওয়া স্থানীয় ব্যবসার জন্য এটি তৈরি। বড় চাহিদার ক্ষেত্রে — সাধারণত ৫,০০০ বর্গফুটের বেশি — আমরা আরও বিস্তারিত শর্টলিস্ট প্রক্রিয়া চালাই, যেখানে মালিকের পটভূমি, সার্ভিস চার্জ ও ভবনের ব্যবস্থা পাশাপাশি তুলনা করা হয়। যেসব মালিক নির্ভরযোগ্য করপোরেট ভাড়াটিয়ার কাছে বাণিজ্যিক ফ্লোর ভাড়া দিতে চান, তাঁদের সঙ্গেও আমরা কাজ করি।

বাণিজ্যিক ভবন নাকি আবাসিক থেকে রূপান্তরিত: পার্থক্য কেন জরুরি?

নতুন ভাড়াটিয়ারা সবচেয়ে বেশি এই পার্থক্যেই বিপাকে পড়েন। ঢাকার কিছু অফিস আবাসিক ভবনে অনানুষ্ঠানিকভাবে চলে। যথাযথ বাণিজ্যিক ব্যবহারের ভবনে সাধারণত ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া, অগ্নিনিরাপত্তার প্রত্যাশা পূরণ এবং প্রধান কার্যালয় বা দাতা সংস্থার কমপ্লায়েন্স যাচাই সহজ হয়। নিয়ম পরিবর্তিত হয় এবং সম্পত্তিভেদে আলাদা, তাই চুক্তি সইয়ের আগে আপনার আইনজীবীর সঙ্গে বিষয়টি নিশ্চিত করার পরামর্শ দিই; মালিক যে কাগজপত্র দেন, আমরা তা আপনার সঙ্গে শেয়ার করব।

ঢাকায় অফিস স্পেসের ভাড়া কত?

নিচের পরিসর আমাদের বর্তমান তালিকার অফিস থেকে নেওয়া, প্রতি বর্গফুট প্রতি মাস হিসেবে টাকায়, সার্ভিস চার্জ ও ইউটিলিটি ছাড়া:

এলাকাআমাদের তালিকায় ভাড়া (টাকা/বর্গফুট/মাস)সাধারণ বৈশিষ্ট্য
গুলশান১০০–৩০০প্রিমিয়াম করপোরেট ও কূটনৈতিক ঠিকানা
বনানী১০০–১৫০রেস্তোরাঁ ও হোটেলের কাছে করপোরেট অফিস
নিকুঞ্জপ্রায় ১৫০বিমানবন্দরের কাছে বড় ফ্লোর
উত্তরা৬৫–১২০বিমানবন্দরের দিকে, সাশ্রয়ী
তেজগাঁও৭০–১২০বড় বাণিজ্যিক ফ্লোর, ৪০,০০০ বর্গফুট পর্যন্ত
মহাখালী৭০–৮০কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক অবস্থান
বাড্ডা ও প্রগতি সরণিপ্রায় ৬০গুলশানের কাছে সাশ্রয়ী অফিস

গুদাম ও কারখানার জন্য আমরা গাজীপুর ও সাভারে শিল্প সম্পত্তিও তালিকাভুক্ত করি, যার প্রতি বর্গফুট ভাড়া অনেক কম। অগ্রিম, সার্ভিস চার্জ ও চুক্তির শর্ত বিস্তারিত জানতে আমাদের ঢাকায় অফিস স্পেস ভাড়ার গাইড দেখুন।

অফিস ভাড়ার বাইরে আর কী কী খরচ থাকে?

প্রতি বর্গফুট ভাড়ার বাইরেও বাজেট রাখুন। মালিকরা সাধারণত কয়েক মাসের অগ্রিম ভাড়া চান, যা প্রায়ই চুক্তির মেয়াদে ভাড়ার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। সার্ভিস চার্জে গার্ড, লিফট, পরিচ্ছন্নতা ও জেনারেটর চালানোর মতো যৌথ খরচ থাকে, আর বিদ্যুৎ সাধারণত আলাদা মিটারে হিসাব হয়। ফিট-আউট, পার্টিশন ও আসবাব সাধারণত ভাড়াটিয়ার খরচ। প্রতিটি শর্টলিস্ট করা অফিসের প্রকৃত মাসিক খরচ তুলনা করতে আমরা এসব খরচ পাশাপাশি সাজিয়ে দিই।

রেন্ট প্রপার্টির মাধ্যমে অফিস ভাড়া নেওয়ার ধাপ কী?

  1. চাহিদা: আকার, কর্মীসংখ্যা, বাজেট, পছন্দের এলাকা, পার্কিংয়ের প্রয়োজন ও লক্ষ্য তারিখ জানান।
  2. শর্টলিস্ট: ভাড়া, ছবি ও ভবনের মূল তথ্যসহ উপযুক্ত বিকল্প পাঠাই।
  3. পরিদর্শন: আমরা সঙ্গে যাই, অথবা সিদ্ধান্তগ্রহণকারীরা বিদেশে থাকলে ভিডিওতে দেখাই।
  4. যাচাই: আপনার পর্যালোচনার জন্য মালিকের কাছ থেকে ভবনের তথ্য ও কাগজপত্র সংগ্রহ করি।
  5. দরকষাকষি: ভাড়া, অগ্রিম, বার্ষিক বৃদ্ধি, ফিট-আউটের সময় ও অন্যান্য শর্ত লিখিতভাবে ঠিক করি।
  6. হস্তান্তর ও ফিট-আউট: প্রয়োজনে হস্তান্তর, মালামালের তালিকা ও ফিট-আউট ঠিকাদারদের সমন্বয় করি।

অফিস স্পেসের জন্য আমরা কোন কোন এলাকায় কাজ করি?

আমাদের বাণিজ্যিক তালিকা মূলত গুলশান, বনানী, তেজগাঁও ও উত্তরায়, সঙ্গে মহাখালী, বাড্ডা, প্রগতি সরণি, মতিঝিল, নিকুঞ্জ ও শেওড়াপাড়াতেও বিকল্প আছে। বর্তমান সব অফিস দেখতে আমাদের প্রপার্টি পাতা দেখুন। আপনার কর্মীরাও স্থানান্তরিত হলে আমাদের করপোরেট রিলোকেশন সেবা তাঁদের আবাসনের দায়িত্ব নেয়।

হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন

আপনার প্রয়োজনীয় আকার, পছন্দের এলাকা ও লক্ষ্য তারিখ হোয়াটসঅ্যাপে রেন্ট প্রপার্টিকে পাঠান +৮৮০ ১৭৮৪-২২২২৫৫ নম্বরে। আমরা সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে উপযুক্ত অফিসের তথ্য জানাই।

এই সেবায় যা অন্তর্ভুক্ত

  • প্রায় ৬৫০ থেকে ৪০,০০০ বর্গফুটের অফিস ফ্লোর
  • এলাকাভিত্তিক প্রতি বর্গফুট ভাড়ার তুলনা
  • বাণিজ্যিক ব্যবহার ও ট্রেড লাইসেন্সের প্রশ্ন আগেই যাচাই
  • পার্কিং, জেনারেটরের ক্ষমতা ও লিফট পর্যালোচনা
  • ইংরেজিতে চুক্তির দরকষাকষি
  • ফিট-আউট ও পার্টিশনের সমন্বয়

আমাদের ফি কীভাবে নির্ধারিত হয়। কাজ শুরুর আগেই ফি লিখিতভাবে নির্ধারণ করা হয়। ভাড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কমিশন এক মাসের ভাড়ার সমান; চলমান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আদায়কৃত ভাড়ার শতকরা হারে। আমরা কোন পক্ষের হয়ে কাজ করছি তা স্পষ্ট করে জানাই।

উত্তর

সাধারণ জিজ্ঞাসা

ঢাকায় অফিস ভাড়া কীভাবে হিসাব করা হয়?

ঢাকায় অফিস ভাড়া সাধারণত প্রতি বর্গফুট প্রতি মাসে টাকায় বলা হয় এবং ফ্লোরের আয়তন দিয়ে গুণ করা হয়। সার্ভিস চার্জ, ইউটিলিটি ও জেনারেটরের খরচ প্রায়ই আলাদা বিল হয়, আর মালিকরা সাধারণত অগ্রিম চান। রেন্ট প্রপার্টির বর্তমান তালিকায় এলাকা ও ভবনের মান অনুযায়ী অফিস ভাড়া প্রায় ৬০ থেকে ৩০০ টাকা প্রতি বর্গফুট।

অফিসের জন্য ঢাকার কোন এলাকা ভালো?

দূতাবাস, হোটেল ও প্রবাসী আবাসনের কাছে করপোরেট ঠিকানা চাইলে গুলশান ও বনানী উপযোগী। তেজগাঁও ও মহাখালীতে কম ভাড়ায় বড় ফ্লোর ও কেন্দ্রীয় যোগাযোগ পাওয়া যায়, আর যেসব দল প্রায়ই বিমানবন্দর ব্যবহার করে তাদের জন্য উত্তরা ও নিকুঞ্জ সুবিধাজনক। বাড্ডা ও প্রগতি সরণি গুলশানের কাছে সাশ্রয়ী বিকল্প। রেন্ট প্রপার্টি শর্টলিস্ট করা ভবনগুলো আপনার জন্য তুলনা করে দিতে পারে।

বিদেশি প্রতিষ্ঠান কি ঢাকায় অফিস স্পেস ভাড়া নিতে পারে?

বিদেশি প্রতিষ্ঠান, জাতিসংঘ সংস্থা ও এনজিও নিয়মিতভাবে ঢাকায় অফিস স্পেস ভাড়া নেয়। মালিকরা সাধারণত প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র ও একজন অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী চান, আর আপনার প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বা লাইসেন্সের শর্ত আপনার আইনজীবী বা উপদেষ্টার কাছ থেকে নিশ্চিত করা উচিত। রেন্ট প্রপার্টি ইংরেজিতে খোঁজ, পরিদর্শন, ভবনের তথ্য ও চুক্তির দরকষাকষি সামলায় এবং বিদেশে থাকা সিদ্ধান্তগ্রহণকারীদের ভিডিওতে জায়গা দেখাতে পারে।

অফিস ভবনটি বাণিজ্যিক কি না, তা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত ভবনে সাধারণত ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া, অগ্নিনিরাপত্তার প্রত্যাশা পূরণ এবং প্রধান কার্যালয় বা দাতা সংস্থার কমপ্লায়েন্স পর্যালোচনায় উত্তীর্ণ হওয়া সহজ হয়। আবাসিক ভবন থেকে চালানো অফিস পরে সমস্যা তৈরি করতে পারে। রেন্ট প্রপার্টি শুরুতেই এই প্রশ্ন তোলে এবং মালিকের দেওয়া কাগজপত্র শেয়ার করে; সই করার আগে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করার পরামর্শ দিই।

অফিস স্পেস ভাড়া সেবার খরচ কত?

নির্দেশনার আকার ও জটিলতার উপর ফি নির্ভর করে। ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সাধারণত আদায়কৃত ভাড়ার শতকরা হারে, আর ব্রোকারেজে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী এক মাসের ভাড়া। কাজ শুরুর আগেই ফি লিখিতভাবে জানানো হয়।

ঢাকার কোন কোন এলাকায় অফিস স্পেস ভাড়া সেবা পাওয়া যায়?

গুলশান, বনানী, উত্তরা, বারিধারা, বসুন্ধরা, তেজগাঁও, নিকুঞ্জ, মহাখালী এবং ঢাকা মহানগরীর অন্যান্য এলাকা, পাশাপাশি গাজীপুর ও সাভারের শিল্পাঞ্চল।

কত দ্রুত শুরু করতে পারবেন?

ভাড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে বাছাই করা তালিকা দিই। ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে চুক্তি সইয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিদর্শন শুরু করা যায়।

শুরু করুন

আপনার প্রয়োজন জানান, আমরা তালিকা পাঠাই।

বেশিরভাগ অনুসন্ধানের উত্তরে এক কর্মদিবসের মধ্যে ছবি, প্রকৃত ভাড়া ও পরিদর্শনের সময়সহ বাছাই করা তালিকা পাঠানো হয়।