• ঢাকাসোম
  • নিউ ইয়র্করবি
  • লন্ডনরবি
  • দুবাইরবি
  • রিয়াদরবি
  • দিল্লিসোম
  • সিঙ্গাপুরসোম
  • কুয়ালালামপুরসোম
  • টোকিওসোম
  • সিডনিসোম
  • টরন্টোরবি
RP রেন্টপ্রপার্টি

সেবা

ঢাকায় করপোরেট ও প্রবাসী রিলোকেশন সেবা

দূতাবাস, জাতিসংঘ সংস্থা, আন্তর্জাতিক এনজিও ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ঢাকায় আবাসন: নিরাপত্তা যাচাই, ভিডিওতে বাসা দেখা, ইংরেজি চুক্তি।

সংক্ষিপ্ত উত্তর: রেন্ট প্রপার্টি দূতাবাস, জাতিসংঘ সংস্থা, আন্তর্জাতিক এনজিও ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ঢাকায় করপোরেট রিলোকেশন আবাসন পরিচালনা করে। আপনার প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও বাজেটের মান পূরণ করে এমন সুসজ্জিত অ্যাপার্টমেন্ট আমরা শর্টলিস্ট করি, সরাসরি বা ভিডিওতে দেখার ব্যবস্থা করি, ইংরেজিতে চুক্তির দরকষাকষি করি এবং হস্তান্তর, ইউটিলিটি আর পোস্টিং শেষে বাসা ছাড়া ও জামানত ফেরতের বিষয় সামলাই।

যেসব প্রতিষ্ঠান নিয়মিত কর্মীদের বাংলাদেশে পাঠায়, তাদের দরকার ধারাবাহিকতা: নির্দিষ্ট আবাসন মান, জানা বাজেট সীমা এবং একক দায়বদ্ধ যোগাযোগকারী। ঢাকায় আমাদের করপোরেট রিলোকেশন সেবা ঠিক তা-ই দেয় — একজন কান্ট্রি ডিরেক্টর হোক বা কয়েক বছর ধরে একাধিক কর্মী। আমরা যেসব দায়িত্বে আবাসন দিই, তার বেশিরভাগ পাঁচ মাস থেকে দুই বছর মেয়াদের।

ঢাকায় করপোরেট রিলোকেশনে কী কী থাকে?

  • আবাসনের চাহিদা ও বাজেট সীমা খোঁজা শুরুর আগে এইচআর বা রিলোকেশন ম্যানেজারের সঙ্গে ঠিক করা।
  • নিরাপত্তা ও অগ্নিনিরাপত্তার প্রাথমিক যাচাই — আপনার প্রতিষ্ঠানের মানদণ্ড অনুযায়ী।
  • শর্টলিস্ট — নিজেদের তোলা ছবি ও প্রকৃত ভাড়াসহ, এবং বিদেশে থাকা কর্মীদের জন্য ভিডিওতে বাসা দেখা।
  • কর্মী ঢাকায় পৌঁছানোর পর সঙ্গে গিয়ে বাসা দেখানো।
  • ইংরেজিতে চুক্তির দরকষাকষি, প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে ডিপ্লোম্যাটিক বা আগাম চুক্তি বাতিলের ধারাসহ।
  • জামানত ব্যবস্থাপনা, ইউটিলিটি সংযোগ ও হস্তান্তরের মালামাল তালিকা, উভয় পক্ষের সইসহ।
  • বিদায়ের সময় সহায়তা: বাসা ছাড়ার পরিদর্শন ও জামানত ফেরত পেতে সাহায্য।

করপোরেট রিলোকেশন কাদের জন্য?

আমরা দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশন, জাতিসংঘ সংস্থা, আন্তর্জাতিক এনজিও ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের এইচআর, প্রশাসন ও নিরাপত্তা দলের সঙ্গে কাজ করি। যেসব প্রবাসীকে নিয়োগকর্তা আবাসন ভাতা দেন কিন্তু খোঁজার দায়িত্ব তাঁদের নিজের, তাঁদেরও আমরা সাহায্য করি। এই কাজের বড় অংশ পরিবার নিয়ে, তাই স্কুলের অবস্থান, গৃহকর্মীর জন্য জায়গা ও নিরাপদ খোলা জায়গা প্রায়ই শর্টলিস্ট নির্ধারণ করে।

দূতাবাস ও জাতিসংঘের ভাড়াটিয়াদের কী নিরাপত্তা মান লাগে?

মান প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা, আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপনার নিরাপত্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার। আমরা সাধারণত যেসব বিষয় আগে যাচাই করি:

  • নিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ এবং সার্বক্ষণিক গার্ড।
  • প্রবেশপথে সিসিটিভি ও ইন্টারকম।
  • প্রয়োজনীয় সার্কিট চালু রাখার মতো জেনারেটর ব্যাকআপ, সম্ভব হলে স্বয়ংক্রিয়।
  • প্রতিটি তলায় কার্যকর ফায়ার এক্সিট ও অগ্নিনির্বাপক।
  • প্রধান সড়ক থেকে দূরত্ব এবং নিরাপদ পার্কিং।

আমাদের বর্তমান তালিকার অনেক ভবনে গার্ড রুম, সিসিটিভি, ফায়ার এক্সিট ও জেনারেটর আছে, তবে আমরা প্রতিটি আলাদাভাবে যাচাই করি। বিস্তারিত জানতে আমাদের দূতাবাস-মানের অ্যাপার্টমেন্ট নিরাপত্তা চেকলিস্ট দেখুন, আর প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা নিয়ে আছে এনজিও ও জাতিসংঘ কর্মীদের করপোরেট আবাসন গাইড।

রিলোকেশন প্রক্রিয়া কীভাবে চলে?

  1. চাহিদা: প্রতিষ্ঠান কর্মীসংখ্যা, পরিবারের আকার, পৌঁছানোর তারিখ, বাজেট সীমা ও নিরাপত্তার শর্ত জানায়।
  2. প্রাথমিক যাচাই: কিছু দেখানোর আগেই উপযুক্ত এলাকার ভবনগুলো চাহিদা অনুযায়ী যাচাই করি।
  3. শর্টলিস্ট ও ভিডিও ট্যুর: কর্মী বিদেশ থেকেই ছবি, ভাড়া ও ভবনের তথ্যসহ বিকল্পগুলো দেখেন।
  4. অনুমোদন: আপনার নিরাপত্তা বা এইচআর দল পছন্দের বিকল্প পর্যালোচনা করে; তাদের চাওয়া তথ্য আমরা সরবরাহ করি।
  5. চুক্তি ও পরিশোধ: ইংরেজিতে শর্ত ঠিক হয়, জামানত ও অগ্রিম লিখিতভাবে রেকর্ড হয়।
  6. আগমন ও হস্তান্তর: ইউটিলিটি ও ইন্টারনেট চালু করা হয় এবং কর্মীর সঙ্গে মালামালের তালিকা মেলানো হয়।
  7. পোস্টিং চলাকালে: রক্ষণাবেক্ষণ ও মালিকসংক্রান্ত প্রশ্নে একজন যোগাযোগকারী; আমরা সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে সাড়া দিই।
  8. বিদায়: বাসা ছাড়ার পরিদর্শন, শেষ বিল ও জামানত নিষ্পত্তি।

ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ও নিবন্ধনের বিষয় আপনার প্রতিষ্ঠান বা তাদের ইমিগ্রেশন উপদেষ্টা দেখেন; আমরা আবাসনে মনোযোগ দিই এবং মালিকরা সাধারণত কী কাগজপত্র চান তা জানাতে পারি। কর্মীদের প্রস্তুতিতে আমাদের ঢাকায় আসার চেকলিস্ট কাজে লাগবে।

ঢাকায় প্রবাসী আবাসনের জন্য কত বাজেট রাখা উচিত?

বাজেট নির্ভর করে পদমর্যাদা, পরিবারের আকার ও এলাকার ওপর। আমাদের বর্তমান তালিকায় সুসজ্জিত অ্যাপার্টমেন্টের মাসিক ভাড়া গুলশানে প্রায় ৭০,০০০ থেকে ১,৬০,০০০ টাকা এবং বনানীতে ১,২০,০০০ থেকে ১,৭০,০০০ টাকা, আর ডিপ্লোম্যাটিক জোনের কাছে বারিধারায় শুরু প্রায় ১,৫০,০০০ টাকা থেকে, বড় পারিবারিক বাসায় তা অনেক বেশি। সার্ভিস চার্জ, ইউটিলিটি, জামানত ও অগ্রিম সাধারণত আলাদা। বাস্তবসম্মত আবাসন ভাতা ঠিক করতে ঢাকার অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়ার গাইড সহায়ক।

কোন কোন এলাকায় আমরা কর্মীদের স্থানান্তর করি?

বেশিরভাগ রিলোকেশন হয় গুলশান, বনানী ও বারিধারায় — দূতাবাস, অফিস ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার কাছে। ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা বা এভারকেয়ার হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত পরিবার প্রায়ই বসুন্ধরা পছন্দ করেন, আর যাঁরা ঘন ঘন বিমানে যাতায়াত করেন তাঁদের জন্য উত্তরা সুবিধাজনক।

হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন

কতজন কর্মী স্থানান্তর করছেন, তাঁদের পৌঁছানোর তারিখ ও বাজেট সীমা হোয়াটসঅ্যাপে রেন্ট প্রপার্টিকে জানান +৮৮০ ১৭৮৪-২২২২৫৫ নম্বরে। পরবর্তী ধাপ ঠিক করতে আমরা সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দিই।

এই সেবায় যা অন্তর্ভুক্ত

  • দূতাবাস, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক এনজিওর মান অনুযায়ী আবাসন
  • নিরাপত্তা ও অগ্নিনিরাপত্তার প্রাথমিক যাচাই
  • বিদেশে থাকা কর্মীদের জন্য ভিডিওতে বাসা দেখা
  • ইংরেজিতে চুক্তি ও দরকষাকষি
  • ইউটিলিটি সংযোগ ও হস্তান্তরের মালামাল তালিকা
  • বিদায় ও জামানত ফেরতে সহায়তা

আমাদের ফি কীভাবে নির্ধারিত হয়। কাজ শুরুর আগেই ফি লিখিতভাবে নির্ধারণ করা হয়। ভাড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কমিশন এক মাসের ভাড়ার সমান; চলমান ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আদায়কৃত ভাড়ার শতকরা হারে। আমরা কোন পক্ষের হয়ে কাজ করছি তা স্পষ্ট করে জানাই।

উত্তর

সাধারণ জিজ্ঞাসা

কর্মীরা কি ঢাকায় পৌঁছানোর আগেই অ্যাপার্টমেন্ট বেছে নিতে পারেন?

হ্যাঁ। রেন্ট প্রপার্টি নিজেদের তোলা ছবি, প্রকৃত ভাড়া ও ভবনের তথ্যসহ শর্টলিস্ট পাঠায়, তারপর সরাসরি ভিডিওতে বাসা দেখানোর ব্যবস্থা করে, যাতে কর্মীরা বিদেশে থেকেই বেছে নিতে পারেন। ইংরেজিতে চুক্তি সইয়ের আগে আপনার এইচআর বা নিরাপত্তা দল পছন্দের বিকল্প পর্যালোচনা করতে পারে। পৌঁছানোর পর কর্মীর সঙ্গে সরাসরি হস্তান্তর ও মালামালের তালিকা মিলিয়ে নিই।

আপনারা কি দূতাবাস বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা শর্ত অনুযায়ী ভবন যাচাই করেন?

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান যেসব বিষয় দেখে — যেমন নিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ, গার্ড, সিসিটিভি, জেনারেটর ব্যাকআপ, ফায়ার এক্সিট ও প্রধান সড়ক থেকে দূরত্ব — সেগুলো আমরা আগেই যাচাই করি। মান প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা, তাই আমরা আপনার নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করি এবং আপনার নিরাপত্তা কর্মকর্তার চাওয়া তথ্য দিই। চূড়ান্ত অনুমোদন সবসময় আপনার প্রতিষ্ঠানের, রেন্ট প্রপার্টির নয়।

আপনারা কি স্থানান্তরিত কর্মীদের ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিটের কাজ করেন?

না। ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ও নিবন্ধনের কাজ আপনার প্রতিষ্ঠান, তাদের আইনি দল বা ইমিগ্রেশন উপদেষ্টা করেন, আর শর্তগুলো তাঁদের কাছ থেকেই নিশ্চিত করা উচিত। রেন্ট প্রপার্টি আবাসনে মনোযোগ দেয়: বাসা খোঁজা ও নিশ্চিত করা, চুক্তির দরকষাকষি, ইউটিলিটি সংযোগ এবং বাসা ছাড়ার সময় সহায়তা। মালিকরা বিদেশি ভাড়াটিয়াদের কাছে সাধারণত কী কাগজপত্র চান, তা আমরা জানাতে পারি।

ঢাকায় করপোরেট চুক্তির মেয়াদ সাধারণত কত?

আমাদের আয়োজিত বেশিরভাগ করপোরেট ও কূটনৈতিক ভাড়ার মেয়াদ পাঁচ মাস থেকে দুই বছর, যা সাধারণ পোস্টিংয়ের মেয়াদের সঙ্গে মেলে। মালিক রাজি হলে দীর্ঘ মেয়াদও সম্ভব। পোস্টিং আগে শেষ হতে পারে বলে অনেক প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট নোটিশসহ আগাম চুক্তি বাতিল বা ডিপ্লোম্যাটিক ধারা চায়। রেন্ট প্রপার্টি ইংরেজিতে এসব শর্তের দরকষাকষি করে এবং সইয়ের আগে লিখিতভাবে রেকর্ড করে।

করপোরেট রিলোকেশন সেবার খরচ কত?

নির্দেশনার আকার ও জটিলতার উপর ফি নির্ভর করে। ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সাধারণত আদায়কৃত ভাড়ার শতকরা হারে, আর ব্রোকারেজে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী এক মাসের ভাড়া। কাজ শুরুর আগেই ফি লিখিতভাবে জানানো হয়।

ঢাকার কোন কোন এলাকায় করপোরেট রিলোকেশন সেবা পাওয়া যায়?

গুলশান, বনানী, উত্তরা, বারিধারা, বসুন্ধরা, তেজগাঁও, নিকুঞ্জ, মহাখালী এবং ঢাকা মহানগরীর অন্যান্য এলাকা, পাশাপাশি গাজীপুর ও সাভারের শিল্পাঞ্চল।

কত দ্রুত শুরু করতে পারবেন?

ভাড়ার ক্ষেত্রে সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে বাছাই করা তালিকা দিই। ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে চুক্তি সইয়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিদর্শন শুরু করা যায়।

শুরু করুন

আপনার প্রয়োজন জানান, আমরা তালিকা পাঠাই।

বেশিরভাগ অনুসন্ধানের উত্তরে এক কর্মদিবসের মধ্যে ছবি, প্রকৃত ভাড়া ও পরিদর্শনের সময়সহ বাছাই করা তালিকা পাঠানো হয়।