সংক্ষেপে: ঢাকায় আসার একটি কার্যকর চেকলিস্টে তিনটি ধাপ থাকে। রওনা হওয়ার আগে কাগজপত্র ঠিক করুন, অফিস ও স্কুলের কাছাকাছি এলাকা বেছে নিন এবং পৌঁছানোর পর থাকার জন্য একটি সুসজ্জিত বাসা বুক করুন। প্রথম সপ্তাহে পাসপোর্ট দিয়ে লোকাল সিম নিন, যাতায়াতের ব্যবস্থা করুন ও ফ্ল্যাট দেখুন। প্রথম মাসে লিজ সই, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা এবং ক্লিনিক ও স্কুলে নিবন্ধন সেরে ফেলুন।
সুনামের তুলনায় ঢাকায় স্থানান্তর আসলে সহজ, যদি কাজগুলো সঠিক ক্রমে করা যায়। এই শহরে প্রস্তুতির মূল্য অনেক: যানজট, কাগজপত্র ও ভাড়ার বাজার—সবকিছুই সহজ হয় যখন মৌলিক বিষয়গুলো পৌঁছানোর আগেই গুছিয়ে রাখা হয়। এই চেকলিস্ট কূটনীতিক, জাতিসংঘ ও এনজিও কর্মী, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও তাঁদের পরিবার এবং তাঁদের স্থানান্তরের দায়িত্বে থাকা এইচআর টিমের জন্য লেখা। রেন্ট প্রপার্টিতে আমাদের বেশিরভাগ ভাড়াটিয়া পাঁচ মাস থেকে দুই বছরের পোস্টিংয়ে আসা বিদেশি—তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকেই এই তালিকা।
ঢাকায় আসার আগে কী করবেন?
কাগজপত্র
- পাসপোর্ট—যথেষ্ট মেয়াদ ও কয়েকটি ফাঁকা পাতা থাকা জরুরি। সিম কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, লিজসহ নানা নিবন্ধনে এটি লাগবে।
- ভিসা ও কাজের অনুমতি। সঠিক ভিসা ক্যাটাগরি নির্ভর করে আপনার নিয়োগকর্তা ও পদের ওপর। নিয়ম বদলায়, তাই অনলাইন ফোরামের ওপর নির্ভর না করে নিয়োগকর্তা, আপনার মিশন বা যোগ্য পরামর্শকের কাছ থেকে নিশ্চিত হোন।
- সবকিছুর কপি: পাসপোর্টের ছবির পাতা, ভিসা, নিয়োগপত্র, পরিবারের সদস্যদের বিবাহ ও জন্মসনদ এবং সন্তানদের শিক্ষাগত কাগজপত্র। স্ক্যান কপি ও কয়েকটি কাগুজে কপি দুটোই রাখুন।
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি। স্থানীয় অনেক প্রক্রিয়ায় এখনও এগুলো চাওয়া হয়।
বাসা নিয়ে সিদ্ধান্ত
আলাদা আলাদা ফ্ল্যাট দেখার আগে এলাকা ঠিক করুন। ঢাকার যানজটে দূরত্ব মাপা হয় সময়ে, কিলোমিটারে নয়—তাই কোথায় কাজ করবেন এবং সন্তানেরা কোথায় পড়বে, সেখান থেকে শুরু করুন। বেশিরভাগ প্রবাসী গুলশান, বনানী বা বারিধারায় থাকেন; সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে বসুন্ধরা, উত্তরা ও নিকেতনও ভালো। আমাদের প্রবাসীদের জন্য ঢাকার সেরা এলাকা গাইডে এগুলোর পাশাপাশি তুলনা আছে।
বাজেটের জন্য: আমাদের বর্তমান তালিকা অনুযায়ী গুলশানে সুসজ্জিত তিন বেডরুমের ফ্ল্যাট মাসে প্রায় ১,৩০,০০০–১,৬০,০০০ টাকা, বনানীতে প্রায় ১,২০,০০০–১,৪০,০০০ টাকা এবং বসুন্ধরায় প্রায় ৮০,০০০–১,১০,০০০ টাকা। এর সঙ্গে দুই থেকে তিন মাসের ভাড়ার সমান জামানত এবং মাসিক সার্ভিস চার্জ ধরে রাখুন। বিস্তারিত রয়েছে আমাদের ঢাকার বাসাভাড়া মূল্য গাইডে।
পৌঁছানোর পর থাকার জায়গা
না দেখে খুব কম মানুষই দীর্ঘমেয়াদি লিজ সই করেন। প্রথম কয়েক সপ্তাহের জন্য একটি সুসজ্জিত বা সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্ট থাকলে সেখান থেকে নিজে গিয়ে ফ্ল্যাট দেখা যায়। কীভাবে কাজ করে তা জানতে দেখুন আমাদের ঢাকার সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্ট সেবা।
স্বাস্থ্য ও মালামাল পাঠানো
- রওনা হওয়ার বেশ আগে একটি ট্রাভেল ক্লিনিকে গিয়ে টিকা ও ম্যালেরিয়া ঝুঁকি নিয়ে পরামর্শ নিন, এবং প্রথম কয়েক সপ্তাহের প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রেসক্রিপশনসহ সঙ্গে আনুন।
- সম্পূর্ণ সুসজ্জিত অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিলে অনেক কম মালামাল পাঠাতে হয়। অনেকেই শুধু ব্যক্তিগত জিনিস, প্রিয় রান্নার সরঞ্জাম আর বাচ্চাদের জিনিসপত্র আনেন।
- আপনার স্বাস্থ্যবিমা বাংলাদেশে কী কী কাভার করে এবং মেডিকেল ইভাকুয়েশন অন্তর্ভুক্ত কি না, তা যাচাই করুন।
ঢাকায় প্রথম সপ্তাহ
বিমানবন্দরে পৌঁছানো
আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো নামে শহরের উত্তরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। দীর্ঘ যাত্রার পর আগমন হলে চালকদের সঙ্গে দরদাম না করে নিয়োগকর্তা, হোটেল বা বাড়িওয়ালার মাধ্যমে আগেই পিকআপের ব্যবস্থা করুন। পথ ও সময়ের বিস্তারিত পাবেন আমাদের বিমানবন্দর থেকে গুলশান গাইডে।
বিদেশি হিসেবে ঢাকায় সিম কার্ড কীভাবে পাবেন?
গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকসহ প্রধান অপারেটরদের নিজস্ব কাস্টমার সেন্টার ও বহু খুচরা বিক্রেতার কাছে সিম পাওয়া যায়। বিদেশিরা সাধারণত পাসপোর্ট দিয়ে সিম নিবন্ধন করেন, এবং নিবন্ধন সাধারণত বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) যাচাইয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে। রাস্তার দোকানের বদলে অপারেটরের নিজস্ব কাস্টমার সেন্টারে যান, সঙ্গে পাসপোর্ট এবং সম্ভব হলে ভিসার পাতার কপি নিন। শর্ত বদলাতে পারে, তাই সেদিন কী লাগবে তা অপারেটরের কাছে জেনে নিন। প্রধান এলাকাগুলোতে মোবাইল ডেটা সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী।
টাকাপয়সা
- মুদ্রা বাংলাদেশি টাকা (BDT)। গুলশান ও বনানীর বড় সুপারমার্কেট, রেস্তোরাঁ ও হোটেলে কার্ড ভালোভাবে চলে, তবে দৈনন্দিন অনেক লেনদেনে এখনও নগদ টাকা লাগে।
- কেন্দ্রীয় এলাকাগুলোতে এটিএম প্রচুর। কার্ড যেন ব্লক না হয়, সেজন্য দেশের ব্যাংককে ভ্রমণের কথা জানিয়ে রাখুন।
- স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়; বিদেশি হিসেবে নিবন্ধন করা যাবে কি না, তা সেবাদাতার নিয়মের ওপর নির্ভর করে।
ঢাকায় কীভাবে চলাফেরা করবেন?
- গাড়ি ও চালক। প্রবাসী পরিবার ও ঊর্ধ্বতন কর্মীদের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত ব্যবস্থা। অনেক নিয়োগকর্তা গাড়ি দেন, অথবা সরাসরি চালক নিয়োগ করা যায়। কাজের সময়, ওভারটাইম, ছুটি ও দায়িত্ব লিখিতভাবে ঠিক করুন। এখানে গাড়ি চলে রাস্তার বাঁ দিক দিয়ে।
- রাইড-শেয়ারিং। উবার ও পাঠাওয়ের মতো অ্যাপ ঢাকায় চলে এবং আগেই ভাড়া দেখায়—প্রথম কয়েক সপ্তাহের জন্য বেশ সুবিধাজনক।
- সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা। শহর চেনা হয়ে গেলে কাছের যাতায়াতে কাজে লাগে; রওনা হওয়ার আগে ভাড়া ঠিক করে নিন।
- মেট্রোরেল। ঢাকার মেট্রো লাইন উত্তরা থেকে দক্ষিণে শহরের ভেতর দিয়ে গেছে এবং সেই পথে অনেক সময় বাঁচায়, যদিও এখনও সরাসরি গুলশান বা বনানীতে পৌঁছায় না।
ফ্ল্যাট দেখা
প্রথম সপ্তাহে বাছাই করা ফ্ল্যাটগুলো নিজে গিয়ে দেখুন—সম্ভব হলে ঠিক যে সময়ে আপনি অফিসে যাবেন সেই সময়ে। ফ্ল্যাটের মতোই ভবনটিও মনোযোগ দিয়ে দেখুন: জেনারেটরের সক্ষমতা, লিফট, পানির চাপ, নিরাপত্তারক্ষী ও ফায়ার এক্সিট। ফ্ল্যাট দেখার সময় আমাদের অ্যাপার্টমেন্ট নিরাপত্তা চেকলিস্ট সঙ্গে রাখতে পারেন।
ঢাকায় প্রথম মাস
লিজ সঠিকভাবে সই করুন
- ইংরেজি বা দ্বিভাষিক চুক্তিপত্র চান এবং নোটিশ পিরিয়ড, ভাড়া পর্যালোচনার শর্ত ও মেরামতের দায়িত্ব পড়ে নিন।
- হস্তান্তরের দিন তারিখসহ ছবি তোলা একটি জিনিসপত্রের তালিকা করুন এবং দুই পক্ষই সই করুন। জামানত ফেরত পাওয়ার জন্য এটিই সবচেয়ে ভালো সুরক্ষা।
- সাধারণত বাড়িওয়ালাকে স্থানীয় থানায় ভাড়াটিয়ার তথ্য জমা দিতে হয়। বাড়িওয়ালা বা এজেন্ট সাধারণত এটি করেন; কাজটি হয়েছে কি না নিশ্চিত হয়ে নিন।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
স্থানীয় অ্যাকাউন্ট খুলতে সাধারণত পাসপোর্ট, ভিসা এবং চাকরি বা বসবাসের প্রমাণ লাগে; প্রতিটি ব্যাংক নিজস্ব কাগজের তালিকা ঠিক করে। নিয়োগকর্তার এইচআর টিম যে ব্যাংকের সঙ্গে আগে থেকেই কাজ করে, সেখানে পরিচয় করিয়ে দিলে প্রক্রিয়াটি অনেক দ্রুত হয়।
ইউটিলিটি ও ইন্টারনেট
কোন বিল বাড়িওয়ালা দেবেন আর কোনটি আপনার, তা নিশ্চিত করুন। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সাধারণত আলাদা মিটারে চলে, নতুন ভবনে প্রিপেইড মিটার প্রচলিত, আর ব্রডব্যান্ড নিতে হয় স্থানীয় সেবাদাতার কাছ থেকে। লোডশেডিংয়ের সময় জেনারেটর ফ্ল্যাটের কতটুকু চালায়, জিজ্ঞেস করুন।
চিকিৎসা
প্রয়োজন হওয়ার আগেই কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতালে নিবন্ধন করুন। অনেক প্রবাসী যেসব বেসরকারি হাসপাতাল ব্যবহার করেন তার মধ্যে আছে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতাল এবং বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা। জরুরি নম্বরগুলো ফোনে সংরক্ষণ করুন এবং আপনার বিমা কোম্পানি সরাসরি বিল পরিশোধ করে কি না জেনে নিন।
স্কুল
সন্তান নিয়ে এলে আগেভাগেই স্কুলে আবেদন করুন, কারণ জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক স্কুলে আসন সীমিত হতে পারে। পরিচিত বিকল্পের মধ্যে আছে বারিধারার আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা এবং বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা, পাশাপাশি আরও কিছু ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। আগে স্কুল, পরে বাসা বাছুন; কেন, তা ব্যাখ্যা করেছে আমাদের ঢাকার আন্তর্জাতিক স্কুলের কাছে অ্যাপার্টমেন্ট গাইড।
গৃহকর্মী
অনেক প্রবাসী পরিবার গৃহকর্মী, রাঁধুনি বা চালক রাখেন। রেফারেন্স নিন, দায়িত্ব ও বেতন লিখিতভাবে ঠিক করুন এবং কী ধরনের ব্যবস্থা প্রচলিত তা নিয়োগকর্তা বা সহকর্মীদের কাছে জেনে নিন।
প্রবাসীদের জন্য ঢাকা কি নিরাপদ?
বেশিরভাগ প্রবাসী কোনো বড় সমস্যা ছাড়াই ঢাকায় থাকেন, এবং প্রধান আবাসিক এলাকাগুলোতে দৃশ্যমান নিরাপত্তাব্যবস্থা আছে। কিছু সাধারণ অভ্যাস অনেক কাজে দেয়:
- আপনার দূতাবাসে নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকলে নিবন্ধন করুন এবং তাদের ভ্রমণ পরামর্শ মেনে চলুন।
- বড় জমায়েত ও বিক্ষোভ এড়িয়ে চলুন এবং স্থানীয় সংবাদে নজর রাখুন।
- নিরাপত্তারক্ষী, নিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ ও সিসিটিভি আছে এমন ভবন বেছে নিন এবং দরজা তালাবদ্ধ রাখুন।
- যানজটে গাড়ির খোলা জানালার কাছে ফোন ও ব্যাগ রাখবেন না।
- দৈনন্দিন জীবনে অপরাধের চেয়ে সড়ক নিরাপত্তাই বড় ঝুঁকি; সিটবেল্ট ব্যবহার করুন ও সতর্ক চালক রাখুন।
ঢাকার আবহাওয়া কেমন?
বছরের বেশিরভাগ সময় ঢাকা গরম ও আর্দ্র। বর্ষাকাল সাধারণত জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলে; তখন ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় যানচলাচল ধীর হয়ে যায়। এপ্রিল ও মে প্রায়ই সবচেয়ে গরম মাস, আর ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির ছোট শীতকাল শুষ্ক ও আরামদায়ক। বর্ষার সময় ও পরে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ বাড়ে, তাই মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা রাখুন এবং জানালায় নেট আছে কি না দেখুন। ফ্ল্যাট দেখার সময় জিজ্ঞেস করুন, ভারী বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে কি না।
এক নজরে ঢাকায় আসার চেকলিস্ট
- নিয়োগকর্তার সঙ্গে ভিসা ও কাজের অনুমতি নিশ্চিত করুন।
- সব কাগজ স্ক্যান করুন; কাগুজে কপি ও ছবি সঙ্গে রাখুন।
- অফিস ও স্কুল ধরে এলাকা বেছে নিন।
- পৌঁছানোর জন্য সুসজ্জিত বাসা ও বিমানবন্দর পিকআপ বুক করুন।
- প্রথম সপ্তাহেই পাসপোর্ট দিয়ে সিম কার্ড নিন।
- গাড়ি ও চালকের ব্যবস্থা করুন অথবা রাইড-শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করুন।
- নিজে গিয়ে ফ্ল্যাট দেখুন এবং ভবন যাচাই করুন।
- ইংরেজি লিজ ও ছবিসহ জিনিসপত্রের তালিকায় সই করুন।
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন, ইউটিলিটি ও ইন্টারনেট চালু করুন।
- হাসপাতাল, স্কুল ও দূতাবাসে নিবন্ধন করুন।
আপনার প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কয়েকজনকে পাঠালে আমাদের করপোরেট রিলোকেশন সেবা পুরো দলের বাসস্থানের সমন্বয় করতে পারে।
হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন
ঢাকায় আসার পরিকল্পনা করছেন? আপনার পৌঁছানোর তারিখ, বাজেট, অফিসের অবস্থান ও পরিবারের সদস্যসংখ্যা জানান—রেন্ট প্রপার্টি উপযুক্ত সুসজ্জিত অ্যাপার্টমেন্টের পরামর্শ দেবে। হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন +৮৮০ ১৭৮৪-২২২২৫৫ নম্বরে; আমরা সাধারণত এক কার্যদিবসের মধ্যে উত্তর দিই।