সংক্ষিপ্ত উত্তর: ঢাকার প্রধান এলাকাগুলোতে (গুলশান, বনানী, বারিধারা) সুসজ্জিত তিন বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টের ভাড়া মাসে মোটামুটি ১,০০,০০০–৩,৫০,০০০ টাকা। বসুন্ধরা, উত্তরা বা মোহাম্মদপুরে একই মানের ফ্ল্যাট প্রায় ৮০,০০০–১,১০,০০০ টাকা। এর ওপর সাধারণত ৮,০০০–২০,০০০ টাকা সার্ভিস চার্জ আলাদাভাবে দিতে হয়।
এই গাইডে ঢাকার এলাকাভিত্তিক বাসা ভাড়া তুলে ধরা হয়েছে — ক্লাসিফায়েড সাইট থেকে নেওয়া চাওয়া দামের বদলে রেন্ট প্রপার্টির বর্তমান তালিকাভুক্ত প্রপার্টির ভিত্তিতে। বাংলাদেশে কোনো সর্বজনীন লিস্টিং ব্যবস্থা নেই, তাই প্রকৃত তালিকা ও ভাড়ার তথ্যই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দিকনির্দেশনা। নিচের টেবিলটি আমাদের ডেটাবেস থেকে সরাসরি তৈরি হয়, তাই প্রপার্টি ভাড়া হলে বা নতুন যোগ হলে এটি বদলে যায়।
ঢাকায় এলাকাভিত্তিক অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া কত?
| এলাকা | সম্পত্তি | সর্বনিম্ন | মধ্যমা | সর্বোচ্চ | গড় বর্গফুট |
|---|---|---|---|---|---|
| গুলশান | ১০ | ৭০,০০০ টাকা | ১৬০,০০০ টাকা | ৩০০,০০০ টাকা | ২,৩৮৭ |
| বারিধারা | ৮ | ১৫০,০০০ টাকা | ৩৫০,০০০ টাকা | ১,০০০,০০০ টাকা | ৪,০০০ |
| বসুন্ধরা | ৭ | ৩৫,০০০ টাকা | ৮০,০০০ টাকা | ১৫০,০০০ টাকা | ১,৩৪৩ |
| বনানী | ৬ | ১২০,০০০ টাকা | ১৫০,০০০ টাকা | ২০০,০০০ টাকা | ২,৭৬৭ |
| উত্তরা | ৩ | ৯০,০০০ টাকা | ১০০,০০০ টাকা | ৩০০,০০০ টাকা | ৩,২২০ |
| মোহাম্মদপুর | ১ | ১০০,০০০ টাকা | ১০০,০০০ টাকা | ১০০,০০০ টাকা | ২,০০০ |
| খুলশী | ১ | ৩৫,০০০ টাকা | ৩৫,০০০ টাকা | ৩৫,০০০ টাকা | ১,৬০০ |
| নিকুঞ্জ | ১ | ৬০০,০০০ টাকা | ৬০০,০০০ টাকা | ৬০০,০০০ টাকা | ৯,২০০ |
| নিকেতন | ১ | ১০০,০০০ টাকা | ১০০,০০০ টাকা | ১০০,০০০ টাকা | ২,০০০ |
| মিরপুর ডিওএইচএস | ১ | ৬০,০০০ টাকা | ৬০,০০০ টাকা | ৬০,০০০ টাকা | ৯০০ |
মাসিক ভাড়া, সার্ভিস চার্জ ও ইউটিলিটি ছাড়া। ৩৯টি আবাসিক সম্পত্তির ভিত্তিতে। হালনাগাদ ২০২৬-১১-০৮।
আমাদের বর্তমান তালিকায় কোন এলাকায় কত ভাড়া?
নিচের পরিসরে প্রতিটি এলাকায় আমাদের তালিকাভুক্ত আবাসিক প্রপার্টির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মাসিক ভাড়া দেখানো হয়েছে। এগুলো গড় নয়: একটি বড় বাড়ি পুরো পরিসর বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই সংখ্যার পাশাপাশি ব্যাখ্যাও পড়ুন।
| এলাকা | ভাড়ার পরিসর (টাকা/মাস) | এই পরিসরে কী আছে |
|---|---|---|
| বারিধারা | ১,৫০,০০০–১০,০০,০০০ | সুসজ্জিত তিন ও চার বেডরুমের ফ্ল্যাট ১,৫০,০০০ থেকে; ৩,০০০–৩,৫০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট ৩,০০,০০০–৩,৫০,০০০; রাষ্ট্রদূত-মানের বাসভবন ১০,০০,০০০ |
| গুলশান | ৭০,০০০–৩,০০,০০০ | নিকেতনে ৯৫০–১,৩৫০ বর্গফুটের সুসজ্জিত ফ্ল্যাট ৭০,০০০–৭৫,০০০; ২,২০০ বর্গফুটের সম্পূর্ণ সুসজ্জিত তিন বেডরুম ১,৩০,০০০–১,৬০,০০০; বড় আসবাবহীন ফ্ল্যাট ১,৬০,০০০–৩,০০,০০০ |
| বনানী | ১,২০,০০০–২,০০,০০০ | ২,৪০০–৩,৫০০ বর্গফুটের সুসজ্জিত ও সম্পূর্ণ সুসজ্জিত তিন ও চার বেডরুম ১,২০,০০০–১,৭০,০০০ |
| বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা | ৩৫,০০০–১,৫০,০০০ | সুসজ্জিত এক বেডরুমের স্টুডিও ৩৫,০০০–৪৫,০০০; ২,০০০ বর্গফুটের তিন বেডরুম ৮০,০০০–১,১০,০০০; সম্পূর্ণ সুসজ্জিত চার বেডরুম ১,৫০,০০০ |
| উত্তরা | ৯০,০০০–৩,০০,০০০ | তিন বেডরুমের ফ্ল্যাট ৯০,০০০–১,০০,০০০; একটি স্বতন্ত্র বাড়ি ৩,০০,০০০ |
| মোহাম্মদপুর | প্রায় ১,০০,০০০ | ২,০০০ বর্গফুটের সম্পূর্ণ সুসজ্জিত তিন বেডরুমের সার্ভিসড ফ্ল্যাট |
এ ছাড়া আমাদের তালিকায় নিকেতনে চার বেডরুমের একটি সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্ট ১,০০,০০০ টাকায় এবং নিকুঞ্জে দশ বেডরুমের একটি পূর্ণ ভবন ৬,০০,০০০ টাকায় রয়েছে। ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামের খুলশীতে আংশিক সুসজ্জিত তিন বেডরুমের একটি ফ্ল্যাট ৩৫,০০০ টাকায় তালিকাভুক্ত।
ঢাকায় সুসজ্জিত তিন বেডরুমের ফ্ল্যাটের ভাড়া কত?
প্রবাসী পরিবারের কাছ থেকে আমরা সবচেয়ে বেশি এই প্রশ্নটিই পাই। ২,০০০–২,৫০০ বর্গফুটের সম্পূর্ণ সুসজ্জিত তিন বেডরুমের অ্যাপার্টমেন্টের জন্য বাস্তবসম্মত বাজেট:
- গুলশান বা বনানী: মাসে ১,০০,০০০–১,৬০,০০০ টাকা।
- বারিধারা: প্রায় ১,৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু, কূটনৈতিক এলাকার ভেতরে বড় ফ্ল্যাটে দ্রুত বাড়ে।
- বসুন্ধরা বা উত্তরা: ৯০,০০০–১,১০,০০০ টাকা।
- মোহাম্মদপুর: প্রায় ১,০০,০০০ টাকা।
এর সঙ্গে সাধারণত মাসে ৮,০০০–২০,০০০ টাকা সার্ভিস চার্জ যোগ করুন। কোন এলাকা কোন পরিবারের জন্য উপযোগী তা জানতে আমাদের ঢাকায় অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়ার প্রবাসী গাইড পড়ুন, অথবা গুলশান ও বারিধারা এলাকার পাতা দেখুন।
ঢাকার বিজ্ঞাপনে "সুসজ্জিত" ও "সম্পূর্ণ সুসজ্জিত" বলতে কী বোঝায়?
শব্দগুলো ঢিলেঢালাভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই সবসময় মালামালের তালিকা চেয়ে নিন। সাধারণ নিয়মে:
- সম্পূর্ণ সুসজ্জিত — সরাসরি থাকার উপযোগী: খাট ও ম্যাট্রেস, সোফা, ডাইনিং টেবিল, আলমারি, পর্দা, এসি, ফ্রিজ, চুলা, ওয়াশিং মেশিন এবং সাধারণত রান্নাঘরের সরঞ্জাম। কোনোটিতে বিছানার চাদর ও বাসনপত্রও থাকে।
- সুসজ্জিত — প্রধান আসবাব ও যন্ত্রপাতি থাকে, তবে রান্নার সরঞ্জাম, চাদর বা ওয়াশিং মেশিন নিজেকে যোগ করতে হতে পারে।
- আংশিক সুসজ্জিত — ফিটেড রান্নাঘর, আলমারি, বাতি এবং কখনো এসি থাকে, কিন্তু আলগা আসবাব খুব কম।
- আসবাবহীন — প্রায়ই ফিটেড রান্নাঘর ও বাতি থাকে, তবে আসবাব বা যন্ত্রপাতি থাকে না।
একই ভাড়ার দুটি ফ্ল্যাটে মালামালের মূল্যে কয়েক লাখ টাকার পার্থক্য থাকতে পারে, তাই ভাড়ার মতোই তালিকাও মনোযোগ দিয়ে তুলনা করুন।
ঢাকার কোন এলাকায় সবচেয়ে সাশ্রয়ী ভাড়া?
টাকার বিনিময়ে জায়গার হিসাবে আমাদের তালিকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও উত্তরা এগিয়ে। কম ভাড়ায় কেন্দ্রীয় ঠিকানার জন্য নিকেতন খুবই ভালো। অনেক পরিবারের জন্য আয়তন, হাঁটার সুবিধা ও দামের সেরা ভারসাম্য বনানীতে, আর বারিধারা ও গুলশান লেকপাড়ের রাস্তাগুলো বেছে নেওয়া হয় সাশ্রয়ের জন্য নয়, নিরাপত্তা ও দূতাবাসের নৈকট্যের জন্য। সঠিক উত্তর নির্ভর করে আপনার অফিসযাত্রা ও স্কুলের পথের ওপর।
ফ্ল্যাটভেদে ভাড়ার পার্থক্য কেন হয়?
আসবাব। একই ফ্ল্যাট আসবাবহীনের তুলনায় সম্পূর্ণ সুসজ্জিত অবস্থায় সাধারণত ৩০–৫০% বেশি ভাড়ায় যায়, কারণ দুই বছরের পোস্টিংয়ের জন্য আসবাব কেনার খরচ ও সময় বেঁচে যায়। এ কারণেই আসবাবহীন ফ্ল্যাট প্রতি বর্গফুটে কখনো সস্তা মনে হলেও উঠতে গিয়ে বেশি খরচ পড়ে।
ভবনের মান ও নিরাপত্তা। নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ, পূর্ণকালীন নিরাপত্তারক্ষী, এসিসহ জেনারেটর ব্যাকআপ, দুটি লিফট এবং সঠিক অগ্নিনির্গমন পথ থাকলে ভবনটি দূতাবাস ও জাতিসংঘ সংস্থার অনুমোদনযোগ্য শ্রেণিতে ওঠে। সেই অনুমোদনেরও আলাদা মূল্য আছে।
কূটনৈতিক এলাকার নৈকট্য। বারিধারার কূটনৈতিক এলাকা ও গুলশান লেকপাড়ের রাস্তাগুলোতে দূতাবাসের ঘনত্ব, নিয়ন্ত্রিত সড়ক ও আন্তর্জাতিক স্কুলের কাছাকাছি হওয়ায় ভাড়া বেশি।
পার্কিং। গুলশান ও বনানীতে নির্ধারিত পার্কিং সত্যিই দুর্লভ। দুটি নির্ধারিত পার্কিংসহ ফ্ল্যাট পার্কিংহীন একই ধরনের ফ্ল্যাটের চেয়ে অনেক দ্রুত ভাড়া হয়।
আয়তন ও নকশা। ঢাকায় ফ্ল্যাটের আয়তন সাধারণত মোট হিসেবে বলা হয়, যার মধ্যে সিঁড়ি, লিফট লবি ও দেয়ালের অংশও থাকে। ২,৪০০ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট ভেতরে খুব ভিন্ন লাগতে পারে, তাই শুধু মোট আয়তন নয়, ঘরের মাপও তুলনা করুন।
বয়স ও ফিনিশিং। ভালো জানালা, আধুনিক রান্নাঘর ও বাথরুম এবং নির্ভরযোগ্য লিফটসহ নতুন ভবন দ্রুত ও বেশি ভাড়ায় যায়। তবে ভালো এলাকায় সুরক্ষিত রক্ষণাবেক্ষণের পুরোনো ভবনও সাশ্রয়ী হতে পারে।
প্রতিটি এলাকায় টাকার বিনিময়ে কী পাবেন?
গুলশান
গুলশানে ভাড়ার পরিসর সবচেয়ে বিস্তৃত। নিচের দিকে গুলশান-১ অংশের নিকেতনে ছোট সুসজ্জিত ফ্ল্যাটে একক পেশাজীবী বা দম্পতি ৭০,০০০–৭৫,০০০ টাকায় গুলশানের ঠিকানা পান। মাঝামাঝি পর্যায়ে গুলশান-২ এলাকার আশপাশে প্রায় ২,২০০ বর্গফুটের সম্পূর্ণ সুসজ্জিত তিন বেডরুমের ফ্ল্যাট ১,৩০,০০০–১,৬০,০০০ টাকা। ২,৫০০–৩,৯০০ বর্গফুটের বড় পারিবারিক ফ্ল্যাট সাধারণত আসবাবহীন অবস্থায় ১,৬০,০০০–৩,০০,০০০ টাকায় ভাড়া হয়।
বনানী
আমাদের তালিকায় বনানীর প্রপার্টিগুলো মূলত ২,৪০০–৩,৫০০ বর্গফুটের তিন ও চার বেডরুমের ফ্ল্যাট। সুসজ্জিত ও সম্পূর্ণ সুসজ্জিত ইউনিট ১,২০,০০০–১,৭০,০০০ টাকা, তাই বারিধারার দাম ছাড়াই যাঁরা জায়গা ও হেঁটে যাওয়ার দূরত্বে ক্যাফে চান, তাঁদের জন্য বনানী ভালো বিকল্প।
বারিধারা
কূটনৈতিক মিশনগুলো তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মিশনপ্রধানদের বারিধারায় রাখে। এখানে ৩,০০০ বর্গফুট বা তার বেশি প্রশস্ত নকশা, নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ এবং সুসজ্জিত ফ্ল্যাটের ভাড়া ১,৫০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে পুরো বাসভবনে ১০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও উত্তরা
এই নতুন এলাকাগুলোতে টাকার বিনিময়ে সবচেয়ে বেশি জায়গা পাওয়া যায়। বসুন্ধরায় প্রায় ২,০০০ বর্গফুটের সুসজ্জিত তিন বেডরুমের ফ্ল্যাট ৮০,০০০–১,১০,০০০ টাকা, আর সুসজ্জিত এক বেডরুম ৩৫,০০০ টাকা থেকে। বিমানবন্দরের কাছে কর্মরতদের জন্য উত্তরা উপযোগী, সেখানে তিন বেডরুমের ফ্ল্যাট প্রায় ৯০,০০০–১,০০,০০০ টাকা।
প্রথম মাসের জন্য কত বাজেট রাখবেন?
ওঠার সময়ের খরচ মাসিক ভাড়ার চেয়ে বেশি। উদাহরণ হিসেবে, মাসে ১,৫০,০০০ টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাটে দুই মাসের জামানত ও এক মাসের কমিশন ধরলে প্রথম পরিশোধ মোটামুটি:
- প্রথম মাসের ভাড়া: ১,৫০,০০০ টাকা;
- জামানত (দুই মাস): ৩,০০,০০০ টাকা;
- এজেন্সি কমিশন (এক মাস): ১,৫০,০০০ টাকা;
- সার্ভিস চার্জ: ৮,০০০–২০,০০০ টাকা।
অগ্রিম ভাড়া, ইউটিলিটি বা ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই মোট প্রায় ৬,০৮,০০০–৬,২০,০০০ টাকা। তিন মাসের জামানত হলে আরও ১,৫০,০০০ টাকা যোগ করুন। অনেক নিয়োগকর্তা জামানত সরাসরি পরিশোধ করেন বা কর্মীকে অগ্রিম দেন, তাই আগেভাগেই আপনার আবাসন নীতিমালা দেখে নিন। মাসিক খরচের পূর্ণ চিত্রের জন্য দেখুন প্রবাসীদের জন্য ঢাকায় জীবনযাত্রার ব্যয়।
ভাড়ার বাইরে আর কী কী খরচ আছে?
| খরচ | সাধারণ পরিমাণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| জামানত | ২–৩ মাসের ভাড়া | মেয়াদ শেষে ক্ষতি বাদে ফেরতযোগ্য; ছবিসহ তালিকা দিয়ে সুরক্ষিত রাখুন |
| অগ্রিম ভাড়া | আলোচনাসাপেক্ষ | কিছু বাড়িওয়ালা কয়েক মাসের অগ্রিম চান; চুক্তিতে লিখে নিন |
| সার্ভিস চার্জ | মাসে ৮,০০০–২০,০০০ টাকা | লিফট, জেনারেটর, নিরাপত্তারক্ষী, পরিচ্ছন্নতা এবং প্রায়ই পানি |
| গ্যাস ও বিদ্যুৎ | মিটারভিত্তিক | আলাদা বিল; নতুন ভবনে প্রিপেইড গ্যাস প্রচলিত |
| ইন্টারনেট | প্যাকেজভেদে ভিন্ন | সার্ভিসড ফ্ল্যাট না হলে সাধারণত ভাড়াটিয়া নিজে নেন |
| এজেন্সি কমিশন | প্রচলিতভাবে এক মাসের ভাড়া | বাসা দেখার আগেই লিখিতভাবে ঠিক করুন |
ঢাকায় কি ইউটিলিটিসহ ভাড়া বলা হয়?
সাধারণত না। সাধারণ ভাড়ায় ভাড়া, সার্ভিস চার্জ, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির বিল সাধারণত আলাদা হয়। ব্যতিক্রম সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্ট: সেখানে ইউটিলিটি, ইন্টারনেট ও ঘর পরিষ্কারের সেবা সাধারণত একটি মাসিক অঙ্কে থাকে, ফলে স্বল্পমেয়াদি দায়িত্বে বাজেট করা সহজ। আমাদের সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্ট বনাম হোটেল তুলনায় পুরো হিসাব দেখানো হয়েছে।
ঢাকায় কি ভাড়া নিয়ে দর-কষাকষি করা যায়?
প্রায়ই যায়, তবে সীমার মধ্যে। মূল ভাড়ার চেয়ে বাড়িওয়ালারা সাধারণত শুরুর তারিখ, অগ্রিমের পরিমাণ, হস্তান্তরের আগে মেরামত, বাড়তি আসবাব বা মেয়াদের ব্যাপারে বেশি নমনীয়। দীর্ঘ মেয়াদ, কোম্পানির নামে চুক্তি বা সময়মতো পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলে ভাড়াটিয়ার অবস্থান শক্ত হয়। যা-ই ঠিক করুন, চুক্তিতে লিখে নিন — মৌখিক প্রতিশ্রুতি হস্তান্তরের পর খুব কমই টেকে।
এই সংখ্যাগুলো কীভাবে ব্যবহার করবেন?
- বাসা দেখা শুরুর আগে পরিসরগুলো দিয়ে বাস্তবসম্মত বাজেট ঠিক করুন।
- সমানে সমান তুলনা করুন: সুসজ্জিতের সঙ্গে সুসজ্জিত, একই আয়তন, একই মানের ভবন।
- তারিখ দেখুন: ভাড়া বদলায়, আর ওপরের লাইভ টেবিল যেকোনো লেখার চেয়ে হালনাগাদ।
- কাছাকাছি ভাড়ার দুটি ফ্ল্যাট তুলনার আগে সার্ভিস চার্জে কী আছে তা জেনে নিন।
আজ কী পাওয়া যাচ্ছে দেখতে এলাকা, বেডরুম ও আসবাব অনুযায়ী ফিল্টার করে সব প্রপার্টি দেখুন।
হোয়াটসঅ্যাপে জিজ্ঞেস করুন
আপনার বাজেট, পছন্দের এলাকা, বেডরুমের সংখ্যা ও ওঠার তারিখ জানান — আমরা মানানসই প্রপার্টি ও প্রতিটির মোট মাসিক খরচ জানিয়ে দেব। রেন্ট প্রপার্টিকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন +৮৮০ ১৭৮৪-২২২২৫৫ নম্বরে — সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দিই, শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা।